মিঠাপুকুরের যমুনেশ্বরী নদীতে ২০ স্থানে ড্রেজার বসিয়ে অবাধে বালু উত্তোলন

0
2133

মিঠাপুকুর (রংপুর) থেকে নিজস্ব প্রতিনিধিঃ মিঠাপুকুরের যমুনেশ্বরী নদীতে ২০ স্থানে ড্রেজার বসিয়ে অবাধে বালু উত্তোলন করছেন প্রভাবশালীরা। ফলে নদীর ওপর সেতু, নদী তীরবর্তী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বন্দর এবং সহস্রাধিক ফসলি জমি ভাঙনের হুমকির মুখে রয়েছে।
যমুনেশ্বরী নদীর বালুয়া মাসিমপুর ইউনিয়নে সেতুর খুব কাছে চাঁনটারী এলাকায় নদীর মাঝখানে ড্রেজার স্থাপন করেছেন হাফিজুর রহমান পচা মিয়া। ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে তিনি এলাকার প্রভাবশালীদের সহায়তায় অবাধে বালু উত্তোলন করে আসছেন। স্থানীয় বাসিন্দা সাদ্দাম হোসেন ও মনিরুজ্জামান বলেন, ভাই ছবি তুলে লাভ হবে না। কারণ এখান থেকে সবাই টাকা নিয়ে যায়। এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত হাফিজুর রহমান পচা বলেন, ‘আপনার যদি টাকা-পয়সার সমস্যা হয় আমাকে জানাবেন। আমি ব্যবস্থা করছি। এলাকায় মাঝে মধ্যে আসবেন। খবর দেবেন। আপনার টাকা চলে যাবে।’মিঠাপুকুরের যমুনেশ্বরী নদীতে ২০ স্থানে ড্রেজার বসিয়ে অবাধে বালু উত্তোলন করছেন প্রভাবশালীরা। ফলে নদীর ওপর সেতু, নদী তীরবর্তী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বন্দর এবং সহস্রাধিক ফসলি জমি ভাঙনের হুমকির মুখে রয়েছে। যমুনেশ্বরী নদীর বালুয়া মাসিমপুর ইউনিয়নে সেতুর খুব কাছে চাঁনটারী এলাকায় নদীর মাঝখানে ড্রেজার স্থাপন করেছেন হাফিজুর রহমান পচা মিয়া। ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে তিনি এলাকার প্রভাবশালীদের সহায়তায় অবাধে বালু উত্তোলন করে আসছেন। স্থানীয় বাসিন্দা সাদ্দাম হোসেন ও মনিরুজ্জামান বলেন, ভাই ছবি তুলে লাভ হবে না। কারণ এখান থেকে সবাই টাকা নিয়ে যায়। এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত হাফিজুর রহমান পচা বলেন, ‘আপনার যদি টাকা-পয়সার সমস্যা হয় আমাকে জানাবেন। আমি ব্যবস্থা করছি। এলাকায় মাঝে মধ্যে আসবেন। খবর দেবেন। আপনার টাকা চলে যাবে।’

এর পাশেই বালুয়ামাসিমপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের পেছনে নদীর মাঝখানে আরেকটি ড্রেজার স্থাপন করেছেন রেজাউল ইসলামসহ ৫-৭ জন। সেখানে বছরখানেক ধরে বালু উত্তোলন চলছে। নদীর তীরে একটি ফাঁকা জায়গায় বালুর স্তূপ করে রাখা হয়েছে বিক্রির জন্য। রেজাউল ইসলাম বলেন, ‘গ্রামের মানুষের জন্য একটি রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে। এ খরচের টাকা তুলতে বালু উত্তোলন করতে হচ্ছে।’ এদিকে ওই ২ পয়েন্ট থেকে বালু উত্তোলনের ফলে যমুনেশ্বরী সেতু, বালুয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও এর সংলগ্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বালুয়া কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক ও ঐতিহ্যবাহী বালুয়া বন্দর হুমকির মুখে রয়েছে।

এ ছাড়া আরও ১৮টি স্থানে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছেন প্রভাবশালীরা। এর মধ্যে মিলনপুর ইউনিয়নের তরফসাদী-রঘুনাথপুর, কাঁচদহ ড. ওয়াজেদ মিয়া সেতুর নিচে গোপালপুর বাজার, মুকিমপুর ভিটারচর এলাকা জলাইডাঙ্গা গ্রামে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। বড়বালা ইউনিয়নের আটপুনিয়া উত্তরপাড়া বাগানবাড়ি পয়েন্টে ড্রেজার বসিয়ে পৃথকভাবে বালু উত্তোলন করছেন কয়েকজন। এ ছাড়া আটপুনিয়া নামাপাড়া পয়েন্ট হাছিয়া পয়েন্ট থেকে বালু উত্তোলনের ফলে নদী তীরবর্তী আটপুনিয়া, গুঁটিবাড়ী, হাসিয়া, তরফসাদী, পলিপাড়া মাসিমপুর, জানকিনাথপুরসহ ১০টি গ্রামের সহস্রাধিক আবাদি জমি নদীতে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
তরফসাদী-রঘুনাথপুর এলাকায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকারী বুলবুল ইসলাম ও এহতেসাম বলেন, নদীর বালু উত্তোলনের বিষয়ে ওপর মহলের অনুমতি নেওয়া আছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, বালু উত্তোলন বন্ধে প্রশাসনকে একাধিকবার অভিযোগ দেওয়া হয়েছে; কিন্তু কাজ হয়নি। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাসুমা আরেফিন বলেন, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকারীদের তালিকা পুলিশকে দেওয়া হয়েছে। ইউএনও মামুন অর-রশীদ বলেন, ইতিমধ্যে বালু উত্তোলনের কয়েকটি অবৈধ পয়েন্টে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছিল। প্রয়োজনে আবারও কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এ ছাড়া আরও ১৮টি স্থানে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছেন প্রভাবশালীরা। এর মধ্যে মিলনপুর ইউনিয়নের তরফসাদী-রঘুনাথপুর, কাঁচদহ ড. ওয়াজেদ মিয়া সেতুর নিচে গোপালপুর বাজার, মুকিমপুর ভিটারচর এলাকা জলাইডাঙ্গা গ্রামে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। বড়বালা ইউনিয়নের আটপুনিয়া উত্তরপাড়া বাগানবাড়ি পয়েন্টে ড্রেজার বসিয়ে পৃথকভাবে বালু উত্তোলন করছেন কয়েকজন। এ ছাড়া আটপুনিয়া নামাপাড়া পয়েন্ট হাছিয়া পয়েন্ট থেকে বালু উত্তোলনের ফলে নদী তীরবর্তী আটপুনিয়া, গুঁটিবাড়ী, হাসিয়া, তরফসাদী, পলিপাড়া মাসিমপুর, জানকিনাথপুরসহ ১০টি গ্রামের সহস্রাধিক আবাদি জমি নদীতে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তরফসাদী-রঘুনাথপুর এলাকায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকারী বুলবুল ইসলাম ও এহতেসাম বলেন, নদীর বালু উত্তোলনের বিষয়ে ওপর মহলের অনুমতি নেওয়া আছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, বালু উত্তোলন বন্ধে প্রশাসনকে একাধিকবার অভিযোগ দেওয়া হয়েছে; কিন্তু কাজ হয়নি। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাসুমা আরেফিন বলেন, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকারীদের তালিকা পুলিশকে দেওয়া হয়েছে। ইউএনও মামুন অর-রশীদ বলেন, ইতিমধ্যে বালু উত্তোলনের কয়েকটি অবৈধ পয়েন্টে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছিল। প্রয়োজনে আবারও কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here

eight − 1 =